'Long walk to freedom' গ্রন্থের প্রণেতা-
-
ক
পারভেজ মোশাররফ
-
খ
নেহেরু
-
গ
নেলসন ম্যান্ডেলা
-
ঘ
গান্ধী
'Long walk to freedom' - গ্রন্থের প্রণেতা নেলসন ম্যান্ডেলা। এছাড়া পারভেজ মোশাররফ প্রণীত গ্রন্থ হলো - 'In the line of future' , জওহরলাল নেহেরু প্রণীত গ্রন্থ হলো - 'Discovery of India' , মহাত্মা গান্ধীর প্রণীত গ্রন্থ হলো - ' The Story of My Experiments with Truth' ।

Nelson Mendela (18 July,1918- 5 December, 2013)
Nelson Mandela জীবন ও কর্ম
নেলসন ম্যান্ডেলা ১৯১৮ সালের ৮ই জুলাই দক্ষিণ আফ্রিকার উমতাতার পার্শ্ববর্তী ত্রমভেজো নামক গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম ছিল গাডলা হেনরী এবং মাতার নাম ছিল নোসেকেনি ফ্যানি। নেলসন ম্যান্ডেলার বাবা চারটি বিয়ে করেছিলেন এবং তিনি ছিলেন তাঁর বাবার তৃতীয় স্ত্রীর সন্তান। সেখানকার থেম্বু আদিবাসীদের রাজা তাঁর পিতাকে ত্রমভেজো গ্রামের প্রধান বানিয়েছিলেন।
১৯৫৫ সালে শ্বেতাঙ্গদের সমপরিমাণ সুযোগ-সুবিধার দাবিতে কৃষ্ণাঙ্গদের কর্তৃক বিল উত্থাপন করা হয়। এতে ১৯৫৬ সালে নেলসন ম্যান্ডেলাসহ মোট ১৫০ জনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রদ্রোহিতার মামলা দায়ের করা হয়। চার বছর জেল খাটার পর সব অভিযোগই খারিজ করে দেওয়া হয়েছিল। জেল থেকে ছাড়া পাবার পর তিনি সংসারের দিকে কিছুটা মনোযোগ দেন এবং ১৮৬৮ সালে উইনি মডিকিজেলা নামের এক জনৈক মহিলাকে বিয়ে করে সংসার জীবন শুরু করেন।
১৯৯৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন। আফ্রিকার মাঝে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য আন্দোলন ও সফলতার কারণে শাস্তির জন্য তাকে এই পুরস্কার দেয়া হয়। দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী নেতা, সাধারণ মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার অগ্রদূত এই মহান গণতান্ত্রিক পুরোধা ২০১৩ সালের ৫ ডিসেম্বর ৯৫ বছর বয়সে জোহান্সবার্গে মৃত্যুবরণ করেন।
১. ১৯৯৩ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা শান্তিতে নোবেল পুরস্কারে ভূষিত হন।
২. ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে আসেন।
৩. ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা তাঁর আত্মজীবনী "লং ওয়াক টু ফ্রিডম" প্রকাশ করেন যদিও ১৯৯০ সালের পরে পুলিশের হাতে ধরা পরে কারাবাসের সময় কারাগারে থাকাকালে তিনি এটি রচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে এর জন্য তাকে "অর্ডার অফ মেরিট” পদবীতে ভূষিত করা হয়।
৪. তিনি ১৯৬৪ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত ২৭ বছর কারাবন্দি ছিলেন। এ সময় অধিকাংশ সময় রোবেন দ্বীপে ছিলেন।
৫. The 46664 একটি AIDS বিরোধী প্রচারণা। এর রহস্য হলো তিনি ৪৬৬ নং কয়েদি ছিলেন এবং সাল ছিল ১৯৬৪।)
৬. তার আত্মজীবনীমূলক ২টি গ্রন্থ:
a) A Long Walk to Freedom.
b) Conversation with myself.
Quotation: Education is the most powerful weapon which you can use to change the World.
“লং ওয়াক টু ফ্রিডম” বিশেষ বিশ্লেষণ
নেলসন ম্যান্ডেলার 'লং ওয়াক টু ফ্রিডম” একটি আত্মজীবনীমূলক গ্রন্থ। এটি তিনি ১৯৯০ সালের পরে পুলিশের হাতে ধরা পরে কারাবাসে থাকার সময় কারাগারে বসে রচনা করেছিলেন। পরবর্তীতে এর জন্য তাকে "অর্ডার অফ মেরিট” পদবীতে ভূষিত করা হয়। ১৯৯৪ সালে নেলসন ম্যান্ডেলা তাঁর আত্মজীবনী "লং ওয়াক টু ফ্রিডম” প্রকাশ করেন। নেলসন ম্যান্ডেলার লেখা আত্মজীবনী "লং ওয়াক টু ফ্রিডম” গ্রন্থের ১১৫ তম অধ্যায় হচ্ছে এ প্রবন্ধটি। এই বইয়ে তিনি তাঁর দীর্ঘ দিনের সংগ্রামী জীবনের সার্থকতার দিকটি তুলে ধরেন।
এখানে তিনি নিগ্রোদের স্বাধীনতা সম্পর্কে বলেছেন। তিনি বর্ণনা করেন প্রেসিডেন্ট হিসাবে তাঁর শপথগ্রহণ। তিনি শপথ নিয়েছিলেন যে, তিনি দীর্ঘস্থায়ী এই মানবিক বিপর্যস্ত ঘুণে ধরা সমাজকে নতুন করে গড়বেন। তিনি বলেন যে, দীর্ঘস্থায়ী এই বিপর্যয়ের অভিজ্ঞতা হতে এমন এক সমাজ জন্মগ্রহণ করবে যার জন্য সমগ্র মানবজাতি গর্ববোধ করবে। কিছুদিন পূর্বেও তাঁরা আইনের আশ্রয়ে থেকেও বঞ্চিত ছিলেন আর আজ তাঁরা সারা বিশ্বে সমাদ্রিত, জাতিসমূহের নিমন্ত্রাতা হওয়ার সৌভাগ্য অর্জন করেছেন। তিনি ন্যায় বিচার, শাস্তি, মানবীয় মর্যাদা আর সকল অধিকার লাভের ব্যাপারে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি আরো বলেন যে, আজ তাঁরা রাজনৈতিক মুক্তি অর্জন করেছে। তাঁরা সবাই জনসাধারণকে দারিদ্র, বঞ্চনা, শোষণ, নিপীড়ন, নির্যাতন, অসমতা, নানাবিদ বৈষম্য হতে মুক্ত রাখার শপথ গ্রহণ করেছেন।
পরবর্তীতে তিনি দেখেন যে, শুধু তাঁর নয় বরং স্বজাতি ভাই-বোনদের স্বাধীনতায় কাটছাট আনা হচ্ছে। তিনি আফ্রিকার কংগ্রেসে যোগ দেন। ফলে তাঁর নিজের ব্যক্তিগত স্বাধীনতার আকাঙ্ক্ষা সর্ব সাধারণের আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়। তিনি এটাও অনুধাবন করেন যে, যারা আসলে তাদের স্বাধীনতায় কাটছাট এনেছিল তারাও সুখী ছিল না। তারা সাধারণের ঘৃণার জেলখানায় বন্দি ছিলেন। মানসিক যন্ত্রণা তাদের কুঁড়েকুঁড়ে খাচ্ছিল। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী এসব সমস্যা উৎপাটনের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করেন। কারণ তিনি মনে করেন যে, কোন পর্বত আরোহণের পরই আরোহী জানতে পারে যে, তার জন্য আরো অনেক পর্বত আরোহণের জন্য অপো রয়েছে। অর্থাৎ স্বাধীনতা অর্জনের পর তা কিভাবে রক্ষা করতে হয় বা কিভাবে তা স্থায়ী করতে হয় এই নিয়ে প্রেসিডেন্টের হাতে অনেক দায়িত্ব এসে পরে। তাই তিনি মনে করেন যে, স্বাধীনতা অর্জন হয়েছে মানেই কাজ শেষ নয় তা টিকিয়ে রাখতে এবং বর্ণ বৈষম্যনীতি দ্বারা সৃষ্টতে হতে আরোগ্য লাভকরতে বেশ সময় লাগবে। স্বাধীনতাকে পূর্ণতা দান করতে হলে তাকে আরো দীর্ঘ পথ অতিক্রম করতে হবে।
Related Question
View All-
ক
Abraham Lincoln
-
খ
Abul Kalam Azad
-
গ
Nelson Mandela
-
ঘ
John Milton
-
ক
Nelson Mandela
-
খ
Abul Kalam Azad
-
গ
George Washington
-
ঘ
Rajib Gandhi
-
ক
a film on Che Huevara
-
খ
a biography of Martin Luther King
-
গ
an autobiography by Nelson Mandela
-
ঘ
a political book by Abul kalam Azad
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!